ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
৩০ নভেম্বর ২০২৪ ০৯:৩৭
ছবিঃ ফাইল ফটো
কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদের ১০টি লোহার দানবাক্স খুলে ৩ মাস ১৩ দিনে মিলেছে ২৯ বস্তা টাকা, এখন চলছে গণনার কাজ। গণনা শেষে এ টাকা বিগত দিনের রেকর্ড ভাঙবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
আজ শনিবার সকালে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের ১০টি সিন্ধুক খোলা হয়। পরে ২৯টি বস্তায় ভরে এসব টাকা নেওয়া হয় মসজিদের দোতলায়। টাকা ছাড়াও বরাবরের মতো স্বর্ণ, রুপা, বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পাওয়া গেছে এসব দান সিন্ধুকে।
এর আগে চলতি বছরের ১৭ আগস্ট এ মসজিদের দান বাক্সে ৪ মাস ১০ দিনে পাওয়া গিয়েছিল ২৮ বস্তা টাকা। গণনা করে দেখা যায়, সেখানে ছিল ৭ কোটি ২২ লাখ ১৩ হাজার ৪৬ টাকা ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, রূপা ও স্বর্ণালঙ্কার।
মসজিদের দোতলার মেঝেতে ঢেলে ওই মসজিদের পাশের মাদ্রাসার প্রায়
দেড় শ জন ছাত্র, ১০ জন শিক্ষক, রূপালী ব্যাংকের ৭০ জন কর্মকর্তা, ১০ জন আনসার সদস্যরা
কড়া নিরাপত্তায় টাকাগুলো গণনা করছেন। দিনভর গণনা শেষে রাতে টাকার পরিমাণ জানা যাবে
বলে জানিয়েছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ।
জনশ্রুতি রয়েছে, প্রায় আড়াই শ বছর আগে পাগলবেশী এক আধ্যাত্মিক
পুরুষ খরস্রোতা নরসুন্দা নদীর মধ্যস্থলে মাদুর পেতে ভেসে এসে বর্তমান মসজিদ এলাকা জেলা
শহরের হারুয়ায় থামেন। তাঁকে ঘিরে সেখানে অনেক ভক্তকুল সমবেত হন। ওই পাগলের মৃত্যুর
পর সমাধির পাশে এই মসজিদটি গড়ে ওঠে। পরে কালক্রমে এটি পরিচিতি পায় পাগলা মসজিদ নামে।
/এসবি