ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৯:৩৯
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর পল্লবীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পৃথক অভিযানে আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির পল্লবী থানা পুলিশ।
গ্রেফতাররা
হলো- পল্লবী থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মামুন (৩৫), ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মো.
সাজু (৩৪), ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক মো. সৈকত ইসলাম
(১৯), আওয়ামী লীগ কর্মী মো. বাচ্চু বেপারী (৬০) ও রাজু (৫২)।
শনিবার
(১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ
তালেবুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান,
গত ১৯ জুলাই বিকালে পল্লবী থানার মিরপুর-১০ আবুল তালেব স্কুলের সামনে বৈষম্যবিরোধী
আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণে রাস্তা পারাপারের সময় আকরাম খান রাব্বী
গুরুতর আহত হয়। সেসময় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ
হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহত আকরামের বাবা
ফারুক খানের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ আগস্ট পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের
করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, শুক্রবার রাত ১১টায় মিরপুর-১১ এলাকা থেকে আকরাম খান রাব্বী হত্যা মামলায় জড়িত
আসামি মো. মামুন (৩৫) ও মো. সাজুকে (৩৪) গ্রেফতার করা হয়।
পল্লবী থানা
সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৩টায় পল্লবী থানার মিরপুর-১০ পপুলার-২ ডায়াগনস্টিক
সেন্টারের সামনে সরকার পতনের একদফা দাবিতে ছাত্র-জনতার সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেন মো.
আবিদ। এ সময় আবিদের ডান চোখে গুলি লেগে গুরুতর আহত হয়। পরবর্তীতে তাকে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান
ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভিকটিম আবিদের ভাই জিন্নাত
সাঈদীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ নভেম্বর পল্লবী থানায় অন্য একটি মামলা দায়ের করা
হয়। মামলার সূত্রে ধরে শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর)
রাতে পল্লবীর আদর্শ নগর এলাকা থেকে আন্দোলনে হামলার ঘটনায় জড়িত সৈকত, বাচ্চু
ও রাজুকে গ্রেফতার করা হয়।
পল্লবী থানার পৃথক পৃথক মামলায় গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।
/এসবি