ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ১২:১৮
ছবি: সংগৃহীত
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় দোকানে মোবাইল চার্জ দেওয়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিক দলের কর্মীকে মারধরের জেরে দুই গ্রামবাসীর পক্ষে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের সময় বেশ কিছু দোকানপাট ভাঙচুর ও কয়েকটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। পরে সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কের বর্ণী এলাকায় অবরোধ করেন গ্রামবাসী।
শনিবার বিকেলে
এ ঘটনা ঘটে।
সন্ধ্যায়
বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপে সড়ক অবরোধ তুলে নেওয়া হলেও রাত ৮টা পর্যন্ত বাজারে মুখোমুখী
অবস্থানে ছিল উভয়পক্ষ। ওই সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে থানাবাজারে শ্রমিক দলের কর্মিসভা ছিল। সভা শুরুর আগে কাঠালবাড়ি
গ্রামের ব্যবসায়ী শাহিনুরের দোকানে মোবাইল ফোন চার্জে দেন উপজেলা শ্রমিকদলের সহসভাপতি
আব্দুল মজিদ বাবুল। কিছুক্ষণ পরে ফোন আনতে গেলে দিতে অস্বীকৃতি জানান শাহিনুর। ওই সময়
তাদের মধ্যে মারামারি হয়। পরে তাদের পক্ষে কোম্পানীগঞ্জ গ্রাম ও কাঠালবাড়ি গ্রামের
লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে সন্ধ্যা
সাড়ে ৬টা পর্যন্ত। ওই সময় এক পক্ষ অপর পক্ষের দোকান ভাঙচুর ও ৪-৫টি মোটরসাইকেলে আগুন
দেয়। সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষে ১৫-২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বর্ণী গ্রামের যুবদলের
এক কর্মী থাকায় সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কের বর্ণী এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন গ্রামের লোকজন।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলা বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপে সড়ক অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। শেষ
খবর পাওয়া পর্যন্ত থানাবাজার এলাকায় উভয়পক্ষের লোকজন অবস্থান করছিলেন।
উপজেলা শ্রমিকদলের
সভাপতি এলাইছ মিয়া জানান, তাদের দলীয় কর্মসূচি ছিল। সভা শুরুর আগে দোকানে মোবাাইল ফোন
চার্জে দেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়া নিয়ে কয়েকটি গ্রামের লোকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
এ বিষয়ে
থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ আদনান জানান, তুচ্ছ ঘটনায় দুটি পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। রাত ৯টার দিকে পুলিশ
ঘটনাস্থলে রয়েছে বলে জানান ওসি।
/এসবি