ডেস্ক রিপোর্ট, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
১৬ ডিসেম্বর ২০২৪ ১০:১৫
ফাইল ছবি
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস আরও দেড় বছর ক্ষমতায় থাকতে চান। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন আয়োজনে আগামী ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময় চান তিনি। আজ সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।
ভাষণে মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আমি সকল প্রধান সংস্কারগুলি সম্পন্ন করে নির্বাচন আয়োজন করার ব্যাপারে
বারবার আপনাদরে কাছে আবদেন জানিয়ে এসেছি। তবে রাজনৈতিক ঐকমত্যের কারণে আমাদেরকে যদি,
আবার বলছি যদি, অল্প কিছু সংস্কার করে ভোটার তালিকা নির্ভুলভাবে তৈরি করার ভিত্তিতে
নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয় তাহলে ২০২৫ সালের শেষের দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠান হয়তো সম্ভব
হবে। আর যদি এর সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন সংস্কার কমশিনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে
এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রত্যাশিত মাত্রার সংস্কার যোগ করি তাহলে অন্তত আরও ছয়
মাস অতরিক্তি সময় লাগতে পারে। মোটাদাগে বলা যায়, ২০২৫ সালরে শেষ দিক থেকে ২০২৬ সালের
প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা যায়।
এনজিও ব্যক্তিত্ব
থেকে অন্তবর্তী সরকার প্রধান হওয়া ইউনূস বলেন, প্রথমে সবচেয়ে বড় কাজ ভোটার তালিকা
হালনাগাদ করা। এটা এমনিতেই কঠিন কাজ। এখন কাজটা আরো কঠিন হলো এজন্য যে গত তিনটা নির্বাচনে
ভোটারদের অংশগ্রহণ করার সুযোগ ছিল না। ভোটার তালিকা যাচাই করার সুযোগ হয়নি কারোর। গত
১৫ বছরে যারা ভোটার হবার যোগ্য হয়েছে তাদের সবার নাম ভোটার তালিকায় তোলা নিশ্চিত করতে
হবে। এটা একটা বড় কাজ। ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের পর এখানে গলদ রাখার কোনো সুযোগ নেই।
র্দীঘদিন পর এবার বহু তরুণ তরুণী জীবনে প্রথমবারের মতো ভোট দেবে। অতীতে তাদরেকে সে
অধিকার এবং আনন্দ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। তাই এবারের নির্বাচনে তাদের ভোটদান একটি
স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে। এই অভিজ্ঞতাকে মসৃণ করার সমস্ত আয়োজন করতে হবে। আমার একান্ত
ইচ্ছা এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের তরুণ তরুণী ভোটাররা শতকরা ১০০ ভাগের কাছাকাছি সংখ্যায়
ভোট দিয়ে একটি ঐতিহ্য সৃষ্টি করুক।
মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, নতুন ভোটার ছাড়াও যাদের আগে থেকে ভোটার তালিকায় নাম থাকার কথা ছিল তারা
ভোটার তালিকায় আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ মনোযোগ দিয়ে ভুয়া ভোটারদরেকে তালিকা
থেকে বের করে দিতে হবে।
/এসবি