নিজস্ব প্রতিবেদক, বেঙ্গলনিউজ টোয়েন্টিফোর
২৮ জুলাই ২০২২ ০১:২৭
সংখ্যানুপতিক প্রতিনিধিত্ব
ব্যবস্থা প্রবর্তন, প্রার্থীর প্রচারের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের নেওয়া, ‘না’ ভোট,
জনপ্রতিনিধি প্রত্যাহারের বিধান, নির্বাচনকে টাকা-পেশি শক্তি, প্রশাসনিক কারসাজি, সাম্প্রদায়িক
প্রচার প্রচারণা মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই)
বিকেলে সিপিবি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়,
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে নির্বাচনকালীন সরকারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
এটি ছাড়া এখনকার বাস্তবতায় দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো সম্ভাবনা
নেই।
এজন্য নির্বাচনকালীন সরকার
যেন কোনো প্রকারে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করতে না পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত
করতে সাংবিধানিক রক্ষা কবজ থাকাও অপরিহার্য।
এই সংবাদ সম্মেলনে অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে চারটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়, (১) একটি স্বাধীন, দক্ষ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন (২) নির্বাচনকালীন সরকার (৩) নির্বাচনের আগে জাতীয় সংসদ ভেঙে দেয়া এবং (৪) নির্বাচন-ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো জরুরি কর্তব্য।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য
উপস্থাপন করেন সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক কমরেড রুহিন হোসেন প্রিন্স। এসময় বক্তব্য
রাখেন সিপিবি’র সভাপতি কমরেড মোহাম্মদ শাহ্ আলম, সহ-সাধারণ সম্পাদক কমরেড মিহির ঘোষ।
এছাড়া সম্মেলন
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য কমরেড শামসুজ্জামান সেলিম, কমরেড এ. এন.
রাশেদা, কমরেড শাহীন রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য কমরেড সাজ্জাদ জহির চন্দন,
কমরেড অনিরুদ্ধ দাশ, কমরেড ডা. ফজলুর রহমান, কমরেড আহসান হাবীব, কমরেড রুহুল আমিন,
কমরেড ডা. সাজেদুল হক, কমরেড লুনা নূর, কমরেড আবিদ হোসেন, কমরেড মানবেন্দ্র দেব, কমরেড
লাকী আক্তার প্রমুখ।
আরকে/ এসএল